পোস্টগুলি

শিবপ্রসাদ-আবীরের সেই রুদ্ধশ্বাস তাড়া করার দৃশ্য! জানুন ‘বহুরূপী’ সিনেমার আসল লোকেশন

ছবি
উইন্ডোজ প্রোডাকশনসের ‘বহুরূপী’ সিনেমাটি যারা দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই সেই টানটান উত্তেজনা আর মাটির কাছাকাছি গল্পে মজে আছেন। ব্যাংক ডাকাতি থেকে শুরু করে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বহুরূপী সেজে পালিয়ে বেড়ানো—পুরো সিনেমা জুড়েই ছিল এক রুদ্ধশ্বাস অনুভূতি। আর এই লড়াইকে আরও বেশি জীবন্ত করে তুলেছিল বীরভূমের চমৎকার সব লোকেশন। বিশেষ করে সিনেমার সেই তাড়া করার দৃশ্যগুলো এবং বাঁকুড়া-বীরভূমের সংযোগকারী যে গভীর জঙ্গল দেখানো হয়েছে, তার আসল ঠিকানা হলো বোলপুরের কাছেই অবস্থিত ইলামবাজারের চৌপাহাড়ির জঙ্গল। সাধারণত বীরভূম বললেই আমাদের মাথায় শান্তিনিকেতন বা কোপাই নদীর কথা আসে। কিন্তু ইলামবাজারের এই শাল, পিয়াল আর মহুল গাছে ঘেরা জঙ্গলটির মধ্যে রয়েছে এক আদিম ও রহস্যময় পরিবেশ। পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই চেনা ল্যান্ডস্কেপকেই তাঁদের সিনেমার থ্রিল ও অ্যাকশনের জন্য বেছে নিয়েছিলেন। সিনেমার খাতিরে যখন বিক্রম (শিবপ্রসাদ) পুলিশ সুমন্তের (আবীর) হাত থেকে বাঁচতে লাল মাটির রাস্তা দিয়ে বাইক ছুটিয়ে জঙ্গলের গভীরে হারিয়ে যায়, সেই ফ্রেমগুলো ইলামবাজারের এই চত্বরেই শুট করা হয়েছিল। এখানকার শান্ত...

সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লার রহস্য লুকিয়ে আছে বাংলাতেই!

ছবি
 সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিস 'সোনার কেল্লা' বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে রাজস্থানের জয়সলমীরের সোনালী কেল্লা আর উটের দল। কিন্তু ফেলুদা ভক্তদের জন্য একটা মস্ত বড় চমক লুকিয়ে আছে আমাদের বাংলাতেই!   সিনেমার শুরুর দিকে ছোট্ট মুকুল যখন তার জাতিস্মর হওয়ার গল্প বলছিল এবং জটায়ুর সাথে ফেলুদার প্রথম আলাপ হচ্ছিল, সেই দৃশ্যগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ডে যে দুর্গ বা রাজবাড়ির ভেতরের অংশ দেখা গিয়েছিল, তা কিন্তু রাজস্থানে নয়। সেই আইকনিক দৃশ্যগুলোর শুট হয়েছিল বীরভূমের বোলপুরের কাছে সুরুল রাজবাড়ি (সরকার বাড়ি) এবং দুর্গাপুর-বাঁকুড়া বর্ডারের মুকুন্দপুর রাজবাড়িতে! সিনেমার খাতিরে রাজস্থানি কেল্লার ভেতরের দৃশ্য হিসেবে বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িকে ব্যবহার করেছিলেন খোদ সত্যজিৎ রায়।   (Image Source: Times Of India) ৩০০ বছরের পুরনো ইতিহাস ও সত্যজিতের জহুরির চোখআজ আমরা যে সুরুল রাজবাড়িকে কেবলই বাংলার ইতিহাস হিসেবে দেখি, তার পেছনে জড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের এক গৌরবগাথা। অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে (১৭৫০ নাগাদ) ভরতচন্দ্র সরকার এই রাজবাড়ির পত্তন করেন। পরবর্তীতে তাঁর ছেলে শ্রীনিবাস সরকারের আমল...